স্টাফ রিপোর্টারঃ-
দুইটি ক্ষাপা কুমুরের কামড়ে শিশুসহ ৮ জন আহত হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পরেছে। আজ রবিবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের গন্ধব্যপাড়া ও সিকদারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। সোহাগপাড়া এলাকার সিকদারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. বাবুল সিকদার জানায়, গতকাল শনিবার বিকেল থেকে দুইটি ক্ষাপা কুমুর দেখা যায়। দুইটি ক্ষাপা কুকুর সামনে যাকে দেখতে পায় তাকেই কামড় দিয়ে অন্য এলাকায় চলে যায়। আজ রবিবার বিকেল পর্যন্ত শিশুসহ ৮ জনকে কামড় দিয়েছে। কুকুরের কামড়ে আহতরা হচ্ছে গন্ধ্যবপাড়া গ্রামের মইজুদ্দিন (৫০), মো. বাদশা মিয়া(৪৬), আনেক আলী ড্রাইভার (৪৮) সিকদারপাড়া গ্রামের বাবু মিয়া (২৭) ও বাবুল হোসেনের শিশু কন্যা (৮) এবং খামারপাড়া গ্রামের গার্মেন্টস কর্মী আলেয়া আক্তার (২৫)সহ ৮ জন। তাদের স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় কুকুর আতংক ছড়িয়ে পরেছে।
এদিকে আতংকিত এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, ক্ষাপা কুকুর নিধনের জন্য উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা (ভ্যাটেনারী সার্জন) ডা. মো. সাইফুদ্দিন সুজনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি তাদের জানিয়েছেন, কুকুর নিধনের জন্য তাদের সরকারি ভাবে কোন অনুমোদন নেই এবং ঔষধ প্রদানের জন্যও কোন ব্যবস্থা নেই। ফলে নিরাশ হয়ে তারা ফিরে এসেছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে মির্জাপুরের বিভিন্ন এলাকায় কুকুরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়া বিপাকে পরেছে এলাকাবাসি। মির্জাপুর পৌরসভা, মহেড়া, জামুর্কি, ফতেপুর, বানাইল, আনাইতারা, ওয়ার্শি, ভাদগ্রাম, ভাওড়া, বহুরিয়া, লতিফপুর, গোড়াই, আজগানা, তরফপুর ও বাঁশতৈল ইউনিয়নের হাট-বাজার এবং গ্রামে গ্রামে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পরেছেন এলাকাবাসি বলে অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগি এলাকাবাসি।
এ ব্যাপারে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা (ভ্যাটেনারী সার্জন) ডা. মো. সাইফুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কুকুর নিধন ও ঔষধ দেওয়ার জন্য তাদের সরকারি কোন অনুমোদন নেই। তবে কুকুরটি ধরার জন্য তাদের একটি নেট রয়েছে। প্রয়োজনে এলাকাবাসির কাছে নেট দেওয়া যেতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here