ad cb under

মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল ॥
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাবার পর এবার মেয়েও করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। শিশু কন্যার বয়স ৯। উপজেলা প্রশাসন ২০ বাড়ি লগডাউন করে দিয়েছেন। এর আগে গত ১১ মে তার বাবা মির্জাপুর কৃষি অফিসের কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হন। করোনা ভাইরাস চলমান পরিস্থিতিতে মির্জাপুরে করোনা ভাইরাস সন্দেহে ৫৯০ জনের পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সামাজিক দুরত্ব বজায় না রাখা এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে না চলায় দিন দিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। আজ (২১ মে ) রবিবার পর্যন্ত ১৬ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন যা কিনা টাঙ্গাইল জেলার ১২ উপজেলার মধ্যে সর্বাধিক। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম বলেন, এখানে ঢাকা, নায়নগঞ্জ, সাভার ও গাজীপুর থেকে লোকজন বিভিন্ন কৌশলে প্রবেশ করছে। এছাড়া গোড়াইতে রয়েছে শিল্পাঞ্চল। বিপুল সংখ্যক লেকজনকে সচেতন করতে হিমশি খেতে হচ্ছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনের চলার জন্য প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যগন দিন রাত মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন।
আজ বৃহস্পতিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র সুত্র জানায়, মির্জাপুর পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়নে করোনা ভাইরাস সন্দেহে ৫৯০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ৫৯০ জনের মধ্যে একজন সাংবাদিকসহ ১৬ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত এবং মারা গেছেন একজন নারী। আক্রন্ত ব্যক্তিগন বিভিন্ন হাসপাতাল ও নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন। টাঙ্গাইল জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশী নমুনা সংগ্রহ হয়েছে মির্জাপুর উপজেলায় বলে স্বাস্থ্য সহকারী মৃদুল জানিয়েছেন। এর আগে গত শনিবার (১৬ মে) সাংবাদিকসহ ৭২ জনের বিনামুল্যে করোনা ভাইরাস (কোভিট-১৯) পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার ৭২ জনের মধ্যে একজন শিশু ও একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল মালেক ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো. যুবায়ের হোসেন বলেন, উপজেলা প্রশাসন সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে করোনা ভাইরাস নির্মুলে নিরলস ভাবে কাজ কওে যাচ্ছেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here