বিখ্যাত তারকাদের পর্ন ভিডিও ইন্টারনেটে!

0
161
Loading...

সম্প্রতি ইন্টারনেটে প্রিন্স উইলিয়ামের স্ত্রী কেট মিডলটন, মিশেল ওবামা, ইভানকা ট্রাম্প, নাটালি পোর্টম্যান, নাটালি ডোরমার, এমা ওয়াটসন ও আরিয়ানা গ্র্যান্ডের মতো তারকার পর্ন ভিডিও ছড়িয়ে পড়া নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে। তবে ওই সব ভিডিও কে বা কারা কোথা থেকে ছড়াচ্ছে তা এখনো সন্ধান করতে পারেনি কেউ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোভিত্তিক ‘জিফিক্যাট’ নামের একটি ইমেজ হোস্টিং সাইট এসব ভিডিও মুছে দেয়ার কাজে নেমেছে।

ওই প্রতিষ্ঠানটি বলছে, যেসব ভিডিও ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে সেগুলো আসল নয়। ভিডিওতে কোনো একজন অভিনেত্রীর মাথা আরেক নারীর দেহে বসিয়ে দেয়া হয়েছে। একে বলা হচ্ছে ‘ডিপ ফেক।’ খবর বিবিসির।

নাটালি পোর্টম্যান, নাটালি ডোরমার, এমা ওয়াটসন ও আরিয়ানা গ্র্যান্ডের মতো তারকার মুখ আরেকজনের ঘাড়ে বসিয়ে দিয়ে তৈরি করা পর্ন ভিডিও ইন্টারনেটে এসেছে। আবার কেউ ব্যবহার করছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেহারা। এমনকি সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়ে ইভানকা ট্রাম্প, প্রিন্স উইলিয়ামের স্ত্রী কেট মিডলটনের চেহারাজুড়ে দিয়েও এ রকম ভিডিও বানানো হয়েছে।

এ ধরনের ভুয়া ভিডিও তৈরির এক নতুন প্রযুক্তি এখন সহজপ্রাপ্য হয়ে যাওয়ায় এমনটা হয়েছে। এর ফলে এখন মানুষজন তাদের যৌন কল্পনাকে ‘বাস্তবে’ পরিণত করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিতে পারছে। এতে অনেক সময় ব্যবহার করা হচ্ছে ফেকঅ্যাপ নামের একটি সফটওয়্যার।

একজনের শরীরে আরেক জনের মাথা বসানোর এই ভিডিও সফটওয়্যারের ডিজাইনার বলেছেন, তার তৈরি সফটওয়্যারটি এক মাসেরও কম সময় আগে ছাড়া হয়েছে। এর মধ্যেই তা ডাউনলোড হয়েছে এক লাখেরও বেশি। এ রকম ছবি বা ভিডিও আগেও বানানো যেত, কিন্তু তা করতে হলে আগে দরকার হতো হলিউডের একজন সিনেমা সম্পাদকের দক্ষতা ও বিপুল পরিমাণ টাকা। কিন্তু এখন এই প্রযুক্তি ব্যবহার অনেক সহজ হয়ে গেছে।

কারও কাছে একজনের কয়েকশ ছবি আর পর্নোগ্রাফিক ভিডিও থাকলে বাকি কাজটা করে দেবে কম্পিউটারই। একটা ছোট ভিডিও ক্লিপ বানাতে সময় লাগে ৪০ ঘণ্টা বা তারও বেশি। এদিকে এ ধরনের ডিপ ফেক বা ভুয়া পর্ন ভিডিওর জন্য দক্ষিণ কোরিয়ায় সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হয়েছে।

(Visited 26 times, 1 visits today)