মির্জাপুরে ভারতেশ্বরী হোমসের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছাত্রীর ফাঁস দিয়ে আতœহত্যা

0
2837

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নারী শিক্ষার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভারতেশ্বরী হোমসের ছাত্রী মেহিয়া আক্তার বাবলী(১৭)

এসএসসি পরীক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আতœহত্যা করেছে।তার পিতার নাম মো. বখতিয়ার রানা এবং মাতার নাম পারুল বেগম বলে।তার বাসা রাজধানী ঢাকার সায়েদাবাদ বলে জানা গেছে।গতকাল বুধবার রাতে মির্জাপুর উপজেলা সদরের বাইমহাটি গ্রামে তার বান্ধবী জয়ার সঙ্গে পরীক্ষা দিতে এসে মো. লোকমান মিয়ার বাসায় বাবলী আতœহত্যা করেছে।পুলিশ রাতে ঐ বাসার একটি কক্ষ থেকে গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় বাবলীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে।
বাবলীর মাতা পারুল বেগম জানায়, সে ভারতেশ্বরী হোমস থেকে ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী হিসেবে পরীক্ষা দিচ্ছে এবং আবাসিক হলের ছাত্রী ছিল।তিনি অভিযোগ করেন, তার মেয়ে বাবলী ভারতেশ্বরী হোমসের আবাসিক হলে থাকা অবস্থায় কিছু দিন পুর্বে হোস্টেলের ডাইনিং হলে রান্না নিয়ে তার কন্যার সঙ্গে শিক্ষক ও রান্না ঘরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।এ বিষয়ে হোমস কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের জানালে তারা হোমসে এসে অধ্যক্ষ, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে দেখা করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। যেন তার মেয়ে হোমস থেকে এবছর এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারেন।কিন্ত হোমস কর্তৃপক্ষ তাকে ও তার কন্যাকে ক্ষমা না করে আবাসিক হল থেকে বের করে দেন মেয়েকে নিয়ে চরম বিপাকে পরেন তারা।শেষে নিরুপায় হয়ে গত ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এসএসসি পরীক্ষা তার বান্ধবী জয়ার সঙ্গে থেকে মির্জাপুর পৌর সদরের লোকমান মিয়ার বাসা থেকে দিতে থাকে।গতকাল বুধবার রাতে ঐ বাসার একটি কক্ষে গলায় ফাঁস লাগানো রহস্য জনক কারনে বাবলীর লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে বাসার লোকজন মির্জাপুর থানা পুলিশকে খবর দেন।পুলিশ রাত সারে দশটার দিকে বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার উদ্ধার করেছে।বাবলীর পরিবারের অভিযোগ ভারতেশ্বরী হোমস থেকে বের করে দেওয়ার অপবাদ সইতে না পেরে তার মেয়ে আতœহত্যা করেছে।তারা তদন্ত সাপেক্ষ মেয়ের হত্যার বিচার এবং দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে ভারতেশ্বরী হোমসে যোগাযোগ করা হলে হোমস কর্তৃপক্ষ জানান, বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভারতেশ্বরী হোমসের নিয়মানুসারে বাবলীকে আবাসিক হল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।বাবলী এখন হোমসের আবাসিক হলের ছাত্রী নয়।সে বাহিরে থেকে পরীক্ষা দিচ্ছে।কি কারনে সে আতœহত্যা করেছে এটা তার পরিবারের ব্যাপার হোমসের নয়।এ বিষয়ে তারা আর কথা বলতে রাজি হননি।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম মিজানুল হক মিজানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।কি কারনে সে আতœহত্যা করেছে তার সঠিক কারন এখনো জানা যায়নি।ময়ন্ত তদন্তের পর তার পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
http://dtbangla.com/বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৮,

Loading...
(Visited 1,409 times, 1 visits today)