উত্ত্যক্তের প্রতিবাদে ছাত্রীকে প্রহার

0
184

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় এক কলেজ ছাত্রীকে একই কলেজের চার বখাটে ছাত্র পিটিয়ে আহত করেছে। এ সময় ওই ছাত্রী দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে মেয়েটির মাথায় থাকা স্কার্প টেনে খুলে ফেলে ওই ছাত্ররা। পরে ছাত্রীটি পাশের পুলিশ ফাাঁড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, মঙ্গলবার বেলা পৌনে দুইটার দিকে উপজেলার বাঁশতৈল খলিলুর রহমান কলেজের সামনে দিয়ে এক ছাত্রী হেটে যাচ্ছিল। এসময় একই কলেজের স্নাতক শ্রেণির চার ছাত্র সজিব, অনিক, খালিদ ও ফাহাদ নানা ধরনের কটুক্তি করে উত্ত্যক্ত করতে থাকেন। এর প্রতিবাদ করায় প্রথমে সজিব ওই ছাত্রীটির গালে চড়-থাপ্পর মারেন।

এ সময় ভয়ে ওই ছাত্রী দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে অনিক, খালিদ ও ফাহাদ ছাত্রীটির মাথায় থাকা স্কার্প টেনে খুলে ফেলেন এবং চড়-থাপ্পর মারে। এ সময় ছাত্রীটি দৌড়ি গিয়ে পাশে বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয় এবং মৌখিক অভিযোগ করে। বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির উপ পরিদর্শক (এসআই) ফয়সাল আহম্মেদ ঘটনাস্থলে গেলেও ওই চার ছাত্রকে ধরতে পারেনি বলেন জানান।

এদিকে বিষয়টি কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ঘটনাটি মিমাংসার জন্য বিকেলে বাঁশতৈল ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে কলেজ প্রাঙ্গণে সালিশ হয়। সালিশে ওই চার ছাত্রকে বেত্রাঘাত করা হয় বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ ফায়জুল ইসলামের মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি ধরেননি।

তবে কলেজ পরিচালনা পরিষদের সদস্য বাবুল আহমেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন ছাত্রীর অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় ওই চার ছাত্রকে বেত্রাঘাত করা হয়েছে।

বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এস আই) ফয়সাল আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসা হয়েছে বলে তাকে জানানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা অফিসাসর্স ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম মিজানুল হক বলেন, ঘটনার সত্যতা প্রমানিত হলে জড়িতদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

Loading...
(Visited 2 times, 1 visits today)