নড়াইলে পুলিশের এসআই ও ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৮জনের বিরুদ্ধে মামলা

0
85

মোঃ হিরক মোল্যা, নড়াইল সদর: নড়াইলে পুলিশের এসআই ও ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৮জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। নড়াইল সদর উপজেলার চাকই গ্রামে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগে রোববার (৮ অক্টোবর) দুপুরে সদর আমলী আদালতে এ মামলা দায়ের করে চাকই গ্রামে স্বর্ণালী খানম। সদর আমলী আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ হাসান মামলাটি আমলে নিয়ে জুডিশিয়াল তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামি ১৫ নভেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ মামলার আসামীরা হলেন-বিছালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই খায়রুল, বিছালী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান, চাকই গ্রামের মামুন শেখ, জুয়েল শেখ, এরশাদ বিশ্বাস, মাজেদ শেখ, লাবলু শেখ ও মনিরুল মল্লিক। এছাড়া অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বাদী স্কুলছাত্রী স্বর্ণালী খানম জানায়, গত ১ অক্টোবর দুপুরে নড়াইলের সীমান্তবর্তী যশোরের অভয়নগর উপজেলার নিমতলা এলাকায় মির্জাপুর গ্রামের জুয়েল শেখকে দুর্বৃত্তরা মারধর করে। জুয়েল নড়াইলের বিছালী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলামের সমর্থক। জুয়েলকে মারধরের ঘটনায় ওইদিন (১ অক্টোবর) বিকেলে বিছালী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই খায়রুলসহ কয়েকজন পুলিশ এসে অতর্কিত ভাবে তাদের (স্বর্ণালী) বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। পুলিশ ঘরের চেয়ার, বাক্স, ফ্যান, হাড়ি-পাতিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে তাদের বাড়ির একটিসহ আশেপাশের তিনটি মোটরসাইকেল নিয়ে যায়। আসবাবপত্র ভাঙচুরের পাশাপাশি রান্নাঘরের চুলা ও চালের পাতিল ভেঙ্গে ফেলেছে। এমনকি বাক্স ভেঙ্গে ৫০হাজার টাকাও নিয়ে যায় পুলিশ। এছাড়া স্বর্ণালীর বাবা ইদ্রিস শেখকেও গুলি করে হত্যার হুমকি দেয় পুলিশ। বিছালী ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুর রহমানসহ অন্য আসামিদের নির্দেশে পুলিশ স্বর্ণালীদের বাড়িসহ তিনটি বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাট করা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ইদ্রিস শেখের স্ত্রী শাহিনা বেগম বলেন, ১০ থেকে ১২জন পুলিশ এসে আমাদের ঘরে ঢুকে ভাঙচুর শুরু করে।